গুনাহ করার পরেও যে অন্য ইবাদত করে তাকে যারা তিরস্কার করেন তাদের উদ্দেশ্য তারিক জামিল হাফি.
আমার এক বন্ধু সেইভ করে ।
তো আমি জিজ্ঞাসা করলাম সেইভ কেন করেছো ? বন্ধু
বললো সারাদিন মিথ্যা কথা বলতে হয় এই জন্য ।আমি বললাম আগে এক গুনাহ করতে আর এখন দুইটা গুনাহ হলো ।আল্লাহর বান্দা এক গুনাহ থেকে তো মাফ মিলতো । এখন দুই গুনাহ এক সাথে হয়েগেলো ।মিথ্যা
বলার সাথে দাড়ির সম্পরক কী
? ? বন্ধু বললো দাড়ি থাকলে তো সত্য কথা বলতে হবে আর দাড়ি না থাকলে তো মিথ্যা বলতে সমস্যা হবে না ।আমি বললাম এটার সম্পরক তো কালিমার সাথে, কালিমা পড়ার পর মিথ্যা বলো এই জন্য শরম পাওয়া উচিৎ ।এক ব্যাক্তি বলে দাড়ি রেখে গুনাহ করো এটা লজ্জার কথা, আমি বলি কালিমা পড়ে মিথ্যা বল এটা লজ্জার কথা ।গুনাহ আর সওয়াব. . . পুরস্কার আর শাস্তি . . . হালাল আর হারাম এর সম্পরক পাগড়ি, দাড়ি, সালাত, হজ্জের সাথে নয় এর সম্পরক কালিমার সাথে ।
কালিমা হচ্ছে একচি চুক্তি হে আল্লাহ আমি আপনার কথা শুনবো, আপনার
রাসূলের তরিকা অনুযায়ী চলবো ।আমি মানুষ যদি ভূল-ত্রুটি হয়ে যায় আপনার কাছে মাফ চাইবো,
ক্ষমা চাইবো
, ইস্তিগফার পড়বো ।কোন ব্যাক্তির খারাপ
কাজে তার নেকির সাথে তুলনা করা উচিৎ নয় ।যেমন সালাত আদায় করে কি লাভ ? হজ্জ আদায় করে কি লাভ ? আমার বান্দা
একটা ভাল কাজ করলে এর পুরস্কার আমি দান করবো । একটা খারাপ কাজ করলে আমি এর শাস্তি দিবো । শাস্তির মধ্যে আবার মহান আল্লাহ তা’য়ালা বলেন আমি যাকে খুশি মাফ করে দিবো ।
কিন্তু নেকির ক্ষেত্রে এমন শব্দ প্রয়োগ করা হয়নি । (মাও. তারিক
জামিল হাফি.) সুতরাং আমলের ক্ষেত্রে কাওকে তিরস্কার না করে তাকে বাহবা দেওয়া উচিৎ এতে সে আরও ভালো কাজ করার উৎসাহ পাবে । আল্লাহ আমাদের সবাইকে বেশি বশি ভাল কাজ করার তাওফিক দান করুন ।
লেখক : মুহাঃ আব্দুর
রহিম (মেহেরপুর)


No comments